ইন্টারনেট প্রযুক্তি নিয়ে জানি

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব

May 25, 2019

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব

পূর্বে কোন প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের আশেপাশের পরিচিত মানুষ যদি তা না জেনে থাকে তাহলে আমাদের বসে পড়তে হতো নানান রকম বই নিয়ে। কিন্তু যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে উত্তর খোঁজার মাধ্যমও হয়েছে পরিবর্তন। এখন আর কোন প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য আমাদের বই ঘাটতে হয় না। খুব সহজেই আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুঁজে নিতে পারি আমাদের যা প্রয়োজন। ইন্টারনেটের এই জগতে রয়েছে নানা রকম ওয়েবসাইট। প্রতিটি ওয়েবসাইটে থাকে আবার টেক্সট, ছবি, ভিডিও কিংবা নানা ধরনের মিডিয়ার সম্বলিত ওয়েব পেজ। ওয়েব সাইট গুলোতে প্রবেশ করার সময় তার শুরুতে জেনে বা না জেনে আমরা ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ ডট নামের একটি প্রিফিক্স যুক্ত করি। এর ফলে আমরা এক্সেস পাই ওয়েবসাইটের ওয়েব পেজ গুলোতে। এই প্রিফিক্সটির তাৎপর্য আমাদের অনেকেরই অজানা। ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্য সামগ্রী খুব সহজে চলে আসে আমাদের হাতের নাগালের মধ্যে। সম্প্রতি এই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব পাড়ি দিয়েছে সফলতার ৩০ টি বছর। কি এই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, কিভাবে সূচনা হলো এই বিপ্লবের, কিভাবে কাজ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, কি কি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি এটি চলুন তা জেনে নেই আজকের এই ব্লগটি থেকে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কি?

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবকে সংক্ষেপে দি ওয়েব ও বলা হয়ে থাকে। এটি হচ্ছে মূলত বিশ্বের বিভিন্ন সার্ভারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্যাবলী ইন্টারনেটের সহায়তায় নিজেদের মাঝে সংযুক্ত করে তৈরি করা একটি তথ্যভাণ্ডার। একজন ব্যবহারকারী বিভিন্ন রকম ওয়েব ব্রাউজারের সহায়তায় ওয়েব পেইজে এক্সেস নিতে পারেন এবং হাইপার লিংক ব্যবহার করে নির্দেশনা প্রদান এবং গ্রহণ করতে পারেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই হাইপার টেক্সট ডকুমেন্ট গুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত করে এদের নিয়ে কাজ করার যে প্রক্রিয়া সেটিই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে পরিচিত। ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে হাইপার লিংকের সাহায্যে ওয়েব পেজ গুলো দেখা যায় যেখানে থাকে টেক্সট, চিত্র, ভিডিও কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের মাল্টিমিডিয়া। বর্তমানে ওয়ার্ল্ড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের ডাইরেক্টর, ইংরেজ পদার্থবিদ টিম বার্নার্স লি ১৯৮৯ সালের মার্চ মাসে হাইপারটেক্সট সিস্টেম হতে ধারণা গ্রহণ করে একটি প্রস্তাবনা লিখেন। এই প্রস্তাবনাটি হতেই পরবর্তীতে উৎপত্তি হয় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের। পরবর্তীতে টিম বার্নার্স লি এর এই কাজের সাথে যোগদান করেন বেলজিয়াম বিজ্ঞানী রবার্ট কাইলিয়াউ। এ সময় তারা দুজনেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত ছিলেন। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে তাদের প্রকাশিত এক প্রস্তাবনায় তারা উল্লেখ করেন যে লিংক এবং ওয়েব হতে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম হিসেবে হাইপারটেক্সটকে ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী তার ইচ্ছেমতো ওয়েব পরিভ্রমণ করতে পারবে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজ এবং সুন্দর প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্য ভাণ্ডারের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে। ফলে ইন্টারনেটকে জনপ্রিয় করে তোলার পিছনে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তবে মনে রাখতে হবে ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এক জিনিস নয়। ওয়েব হচ্ছে ইন্টারনেটের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি অ্যাপ্লিকেশন।

কিভাবে কাজ করে ওয়েব?

কোন ওয়েবপেজ দেখার জন্য প্রথমে যেটি করতে হয় সেটি হচ্ছে একটি ব্রাউজারে গিয়ে ওয়েবসাইটটির ইউ আর এল (URL) টাইপ করতে হয় কিংবা কোন হাইপারলিংক অনুসরণ করতে হয়। এরপর ওয়েব ব্রাউজারটি বার্তা আদান প্রদান শুরু করে সফল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য। ফলে ওয়েব পেজটি আমাদের সামনে চলে আসে। ইউ আর এল এ সার্ভার নামের যে অংশটি থাকে সেটি আইপি এড্রেস ধারণ করে। এটি একটি বিশ্বজনীন ইন্টারনেট তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করে যা ডোমেইন নেম সিস্টেম নামে পরিচিত। আইপি এড্রেসটি ওয়েব সার্ভারে ডাটা প্যাকেট প্রেরণের জন্য জরুরী। এরপর ব্রাউজারটি ওয়েব সার্ভারের কাছে নির্দিষ্ট ঠিকানা টিকে এইচটিটিপি এর আবেদন জানায়। এরপর ওয়েব ব্রাউজারটি টেক্সট, ছবি, ভিডিও কিংবা অন্য যে কোন মিডিয়া সম্বলিত প্রয়োজনীয় ফাইলের জন্য আবেদন পৌঁছে দেয়। ওয়েব সার্ভারে আবেদনগুলো পৌঁছানোর পর সেগুলো ব্রাউজারে পাঠানো হয় এবং ব্রাউজারটি এইচটিএমএল, সিএসএস ও অন্যান্য ওয়েব ল্যাঙ্গুয়েজ অনুযায়ী স্ক্রীনে সাজিয়ে ফেলে। অধিকাংশ উভয় পেইজে এরই নিজস্ব হাইপারলিংক থাকে যাতে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পাতা এবং ডাউনলোড সহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সংযুক্ত থাকে। এই প্রয়োজনীয় পরস্পর সংযুক্ত হাইপারলিংক গুলোর সমষ্টি কেই ওয়েব বলা হয়ে থাকে। টিম বার্নার্স লি সর্বপ্রথম ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের নামকরণ করেন।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ইতিহাস

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স লি ১৯৮৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। তিনি শুধু এখানেই থেমে ছিলেন না। ওয়েবের আরো অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নতি সাধনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন। বর্তমানে আমরা যে এইচটিটিপি ব্যবহার করি, সেটি এক ধরনের মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। এই মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ তৈরিতেও ভূমিকা ছিল স্যার টিম বার্নার্স লি এর। এইচটিটিপি ব্যবহার করে ওয়েব পেইজ ডিজাইন এবং কম্পোজ করা যায়। সেমান্টিক ওয়েব তৈরিতেও তার অবদান উল্লেখ করার মতো। হাজার ১৯৯০ সালের ১২ ই নভেম্বর রবার্ট কাইলিয়াও এর সহায়তায় তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা প্রদান করেন।

ওয়েবের গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাদান

এইচ টি এম এল

এইচ টি এম এল এর পূর্ণরূপ হচ্ছে হাইপার টেক্সট মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ। ওয়েব পেইজ এবং ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য এইচটিটিপি হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। সি এস এস অর্থাৎ ক্যাস্ক্যাডিং স্টাইল শিটস এবং জাভাস্ক্রিপ্টের সহায়তায় এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জন্য দারুণ কিছু টেকনোলজি তৈরি করে। ওয়েব ব্রাউজার গুলো ওয়েব সার্ভার কিংবা লোকাল স্টোরেজ থেকে এইচটিএমএল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে এবং ডকুমেন্টগুলোকে মাল্টিমিডিয়া ওয়েবপেইজে রেন্ডার করে। এইচটিএমএল একটি ওয়েব পেইজের গঠন ব্যাখ্যা করে। এইচটিএমএল জাভাস্ক্রিপ্টের মত স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রাম গুলোকেও এমবেড করতে পারে। কনটেন্টের লোক এবং লেআউট বানাতে সিএসএস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এইচটিএমএল এবং সিএসএস স্ট্যান্ডার্ডের দেখাশুনাকারী ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম বা ডব্লিউ থ্রি সি ১৯৯৭ সাল হতে এইচটিএমএল হতে সিএসএস ব্যবহারে অধিক উৎসাহ প্রদান করে থাকে।

ওয়েব পেইজ

ওয়েব পেইজ হচ্ছে এক ধরনের ডকুমেন্ট যেটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এবং ওয়েব ব্রাউজার গুলোর জন্য মানানসই। ওয়েব ব্রাউজার গুলো ওয়েব পেইজকে কোন একটি মনিটর কিংবা মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহারকারীর সামনে প্রদর্শন করে। ওয়েব পেজ গুলোতে টেক্সট, ছবি, ভিডিও থেকে শুরু করে থাকতে পারে যেকোনো ধরনের মাল্টিমিডিয়া সংক্রান্ত কনটেন্ট। ওয়েব পেইজ দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হলো স্ট্যাটিক ওয়েব পেইজ এবং অপরটি হলো ডাইনামিক ওয়েব পেইজ। স্ট্যাটিক ওয়েব পেজে যা সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে ওয়েব সার্ভারের ফাইল সিস্টেমে ওয়েব কনটেন্ট হিসেবে তাই প্রদর্শন করা হয়। ডাইনামিক ওয়েব পেজে ব্যবহার করা হয় ওয়েব এপ্লিকেশন। এই ওয়েব এপ্লিকেশন গুলো সার্ভার সাইড সফটওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হয়। ডায়নামিক ওয়েব পেজ গুলোতে ক্লায়েন্টের ইনপুটের ভিত্তিতে ওয়েব পেজকে এনহান্স করা হয়।

ওয়েবসাইট

ওয়েবসাইট হচ্ছে ওয়েব পেইজ এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট গুলো সহ ওয়েব রিসোর্সের একটি সংকলন। এদের একটি সাধারণ ডোমেইন নাম থাকে এবং ওয়েব সার্ভারে পাবলিশ করা হয়ে থাকে। ইন্টারনেট কিংবা প্রাইভেট লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যানের মত পাবলিক ইন্টারনেট প্রটোকল নেটওয়ার্ক বা আইপি নেটওয়ার্ক দ্বারা এগুলোতে এক্সেস পাওয়া যায়। এগুলো চিহ্নিত করার জন্য এদের প্রত্যেকের একটি করে ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর বা ইউআরএল থাকে।

ওয়েব ব্রাউজার

ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের তথ্যগুলোতে এক্সেস পাওয়ার জন্য একটি সফটওয়্যার ইউজার এজেন্ট। ওয়েবসাইটের সার্ভার হতে তথ্য নিয়ে এসে স্ক্রিনের প্রদর্শন করতে ব্যবহারকারীর একটি ওয়েব ব্রাউজার প্রোগ্রাম প্রয়োজন। এই প্রোগ্রামটি ব্যবহারকারীকে ওয়েব পেজ ডাউনলোড করে ফরমেট করে তার স্ক্রিনে প্রদর্শন করার সুবিধাটি প্রদান করে।

ওয়েব সার্ভার

ওয়েব সার্ভার হচ্ছে এমন একটি সার্ভার সফটওয়্যার বা হার্ডওয়ার যেটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ক্লায়েন্ট রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারে এবং সে অনুযায়ী রেসপন্স করতে পারে। একটি ওয়েব সার্ভার সাধারণত এক বা একাধিক ওয়েবসাইট ধারণ করতে পারে। ওয়েব সার্ভার গুলো এইচটিটিপি এবং অন্যান্য প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক রিকোয়েস্ট প্রসেস করতে পারে। অর্থাৎ ওয়েব সার্ভারের মূল কাজ হচ্ছে ওয়েব পেইজ গুলো ধারণ করে তা প্রসেস করে ক্লায়েন্টের কাছে তা ডেলিভার করা। ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ হয় হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকলের মাধ্যমে।

এইচটিটিপি কুকি

এইচটিপি কুকি এর কাজ হচ্ছে ওয়েবসাইট থেকে প্রেরণ করা ক্ষুদ্র ডাটাগুলো ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা যাতে পরবর্তী ব্যবহারের সময় সেই ডাটাগুলো পুনরায় ব্যবহার করা যায়। এই ডাটা গুলো হতে পারে নাম, ঠিকানা, পাসওয়ার্ড কিংবা ক্রেডিট কার্ড নাম্বার। অথেনটিকেশন কুকি ব্যবহার করে ওয়েব সার্ভার গুলো জানতে পারে ব্যবহারকারী লগইন করেছে কিনা। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ওয়েব কুকি গুলো নিরাপত্তা পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

সার্চ ইঞ্জিন

ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন কিংবা ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়েব সার্চ গ্রহণ করতে পারে। এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে একটি সিস্টেমেটিক পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ইনফরমেশন নির্দিষ্ট ওয়েব সার্চ কোয়ারিতে সার্চ করতে পারে। সার্চ রেজাল্ট গুলোকে সুন্দরভাবে ব্যবহারকারীর জন্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো সাজিয়ে রাখে। তবে কিছু কনটেন্ট রয়েছে যেগুলো এই সাধারণ সার্চ ইঞ্জিনগুলো সার্চ করতে পারে না। সেগুলো হলো ডিপ ওয়েবের কনটেন্ট।

ডিপ ওয়েব

ডিপ ওয়েবকে ইনভিজিবল ওয়েব বা হিডেন ওয়েব ও বলা হয়ে থাকে। এতে রয়েছে এমন সব কনটেন্ট যেগুলো স্ট্যান্ডার্ড ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনে ইন্ডেক্স করা নেই। ডিপ ওয়েবের বিপরীতটি হলো সারফেস ওয়েব। আমরা সাধারণত যে ওয়েবে ইন্টারনেট দ্বারা ব্রাউজ করে থাকি সেটি সারফেস ওয়েব। ডিপ ওয়েবের কনটেন্ট গুলো এইচটিটিপি ফোন গুলোর পেছনে লুকানো থাকে এবং ওয়েব মেইল, অনলাইন ব্যাংকিং কিংবা যে কোন ধরনের সার্ভিস যার জন্য ব্যবহারকারীকে পে করতে হয় যা পে ওয়াল দ্বারা সুরক্ষিত থাকে, সেসব সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ভিডিও অন ডিমান্ড, অনলাইন ম্যাগাজিন, অনলাইন পত্রিকা ইত্যাদি।

মূলত উল্লেখিত উপাদানগুলোর সমন্বিত রূপ হচ্ছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমেই আমরা এই উপাদানগুলো ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত তথ্য গুলোতে এক্সেস পেতে পারি। যদিও এর অনেক খারাপ দিক রয়েছে, তবে এটি আবিষ্কারের উদ্দেশ্য কখনোই খারাপ কাজগুলোর সম্পাদন ছিল না।

কেমন লাগলো আমাদের আজকের লেখাটি? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। নতুন কোন কিছু নিয়ে জানতে চাইলে আমাদের জানাতে পারেন। প্রযুক্তি নিয়ে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে আমাদের সাথে থাকুন। চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে এবং প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য যোগ দিন আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে।

জ্ঞান চর্চা চলুক অবিরাম, প্রতিদিন

Reference
World Wide Web, Web foundation

Image Source: Kamila Budzynska

প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য রয়েছে

আমাদের কমিউনিটি

প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই সব সময়। তাই আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ প্রযুক্তির সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। আপনাদের যে কোন ধরনের সমস্যা, অজানা বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত সব সময়

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *