ইন্টারনেট

স্টেডিয়া – অনলাইন ক্লাউড গেমিং প্ল্যাটফর্ম

April 16, 2019

স্টেডিয়া – অনলাইন ক্লাউড গেমিং প্ল্যাটফর্ম

ক্লাউড গেমিং সার্ভিস নিয়ে গেমারদের মাঝে মাতামাতির শেষ নেই। যারা নিয়মিত গেইম খেলে না তাদেরও ক্লাউড গেমিং নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। মাঝে মাঝে মাথা চাড়া দিয়ে কিছু ক্লাউড গেমিং সার্ভিস উঠে আসলেও সেগুলো দেখতে পারেনি সফলতার মুখ। কিন্তু কেন এমনটি হয়, কিভাবে কাজ করে এই সার্ভিস গুলো, কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এগুলো বাস্তবায়নে? স্টেডিয়া ক্লাউড গেমিং সার্ভিস গুলোর তালিকা নতুন সংযোজনটি কি? সেটি কি পারবে ক্লাউড গেমিং সার্ভিসগুলোর গতানুগতিক সমস্যা গুলোর ভিন্নধর্মী কোন সমাধান দিতে? আপনার এসব প্রশ্নের উত্তর দিতেই এই ব্লগটি লেখা। চলুন ঘুরে আসি ক্লাউড গেমিং এর দুনিয়া থেকে এবং খুঁজে নিই সকল প্রশ্নের উত্তর।

টেক জায়ান্ট গুগলের বহুল প্রতীক্ষিত উদ্যোগ “প্রজেক্ট স্ট্রিম” এর চূড়ান্ত সংস্করণে বছরের মার্চের ১৯ তারিখ আমেরিকার স্যান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত গেইম ডেভেলপার্স কনফারেন্স (জিডিসি) ২০১৯ এ উন্মোচিত হয়। যদিও এই প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে গুগল আমাদের খুব বেশি জানান দেয়নি, তবুও যতটুকু জানা সম্ভবপর হয়েছে তা নিয়ে আজ আলোচনা করা যাক।

গুগলের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার সুন্দর পিচাই বলেন যে এখন তাদের মনোযোগ তাদের পরবর্তী বড় পদক্ষেপের পিছনে যা হচ্ছে সবার জন্য প্রযোজ্য একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। আর তাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নেই গুগল স্টেডিয়া নামের ক্লাউড গেমিং সার্ভিসটির মোড়ক উন্মোচন করে। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক স্টেডিয়া কি?

স্টেডিয়া কি?

গুগল মনে করে গেমিং এর ভবিষ্যৎ কোন বাক্সে আবদ্ধ থাকবে না। মানুষ যেভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে খেলাধুলার জন্য স্টেডিয়াম তৈরি করেছে, গুগল বিশ্বাস করে ঠিক তেমনি তারা একটি ভার্চুয়াল স্টেডিয়াম তৈরি করছে। স্টেডিয়া নামের এই ভার্চুয়াল স্টেডিয়ামে ভবিষ্যতের গেমগুলো যেকোনো জায়গায় খেলা যাবে। অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে স্টেডিয়া হচ্ছে এমন একটি ভার্চুয়াল গেমিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো স্থানে যেকোনো সময় যেকোনো স্ক্রিনে আপনি যেকোনো গেম খেলতে পারবেন। এই ধরনের গেম গুলো খেলার জন্য আপনার লাগবে না কোন উল্লেখযোগ্য হার্ডওয়্যার। লাগবে না কোন কম্পিউটার কিংবা কনসোল। নির্মাতারা জানিয়েছেন গেম গুলো পাওয়া যাবে 4k ৬০ ফ্রেম পার সেকেন্ড হিসেবে এবং সাথে থাকবে এইচডি আর এবং সারাউন্ড সাউন্ড টেকনোলজি।

কিভাবে কাজ করে স্টেডিয়া?

স্টেডিয়া তৈরির পিছনে ধারণাটি খুবই সাধারণ। তবে এই সাধারণ ধারণাটি বাস্তবায়ন করাটা মোটেই কোন সাধারণ কাজ নয়। স্টেডিয়া হচ্ছে এক ধরনের ক্লাউড গেমিং প্ল্যাটফর্ম। মিউজিক স্ট্রিমিং কিংবা টেলিভিশন স্ট্রিমিং এর মত ক্লাউড গেমিং এর মাধ্যমে গেম গুলো রান করানো হয় রিমোট কোন একটি ডাটা সেন্টারে। অর্থাৎ এই সার্ভিসটিতে কোন একটি ডাটা সেন্টারে একটি সার্ভার রেকের একটি পিসিতে গেম রান করানো হয় এবং এই গেমটির একটি ভিডিও ফিড ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর স্ক্রিনে পৌঁছানো হয়। তখন ব্যবহারকারী গেমার হিসেবে কন্ট্রোলারের বাটন গুলোতে প্রেস করে এবং সেই ইনপুট ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার গুলোতে পৌঁছে যায়। গুগল দাবি করে ফুল হাই ডেফিনিশন ৬০ ফ্রেম পার সেকেন্ড স্ট্রিমিং প্রসেসটিতে থাকবেনা কোন ল্যাটেন্সি কিংবা কোন ল্যাগ। গুগল তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাদের ব্যবসার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কাজে লাগাচ্ছে। চলুন জেনে নেই কিভাবে করছে গুগল এগুলো।

ক্রোম

স্টেডিয়াকে সফল একটি প্রজেক্টে রূপান্তর করতে গুগল তাদের যেসব রিসোর্স ব্যবহার করছে তার মধ্যে প্রথমটি হলো ক্রোম ব্রাউজার এবং ক্রোমকাস্ট ডঙ্গল। এগুলোর মাধ্যমে গুগল তাদের ডাটা সেন্টারের সার্ভার থেকে গেম গুলো টিভি কিংবা অন্য যেকোনো স্ক্রিন যেখানে আপনি স্টেডিয়া ব্যবহার করবেন সেখানে লাইভ স্ট্রিম করতে পারবে।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্সটি হলো গুগলের নিজস্ব অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। এই অপারেটিং সিস্টেমটি বিশ্বের সর্বত্র বিদ্যমান। ফলে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে গেমারদের মোবাইলে কিংবা ট্যাবলেটের ক্লাউড গেমিং সার্ভিস পৌঁছে দেয়া খুবই সহজ।

ইউটিউব

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন। ইউটিউবেও স্টেডিয়া ব্যবহার করা সম্ভব। ইউটিউবে ভবিষ্যতে অনেক নতুন ফিচার এড করা হবে। তন্মধ্যে ক্লাউড গেমিং এর সুবিধাটি অন্যতম। ইউটিউবে কোন একটি গেমের ভিডিও কিংবা স্ট্রিম দেখার সময় ব্যবহারকারী একটি মাত্র ট্যাপের মাধ্যমে ঢুকে যেতে পারবে সেই গেমটির জগতে। গেমটির ভিডিওটি আপনি যেই মুহূর্তে সিন করছিলেন, একটি ট্যাপ করেই আপনি পৌঁছে যাবেন ঠিক সেই নির্দিষ্ট মুহূর্তে। ইউটিউবে স্টেডিয়া ব্যবহারকারীগণ আরেকটি ফিচার পাবেন। সেটি হচ্ছে যখন একজন ব্যবহারকারী একজন স্ট্রিমারের লাইভ স্ট্রিম দেখবে, তখন সেই স্ট্রিমার ব্যবহারকারীকে গেইমে ইনভাইট করতে পারবে। একটি বাটনের চাপেই আপনি আপনার পছন্দের স্টিমারের সাথে গেইম খেলতে পারবেন। গুগলের এই সার্ভিসটির আরেকটি সুবিধা রয়েছে, সেটি হচ্ছে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের ব্যবহার।

ধরুন আপনি কোন একটি গেমের কোন একটি লেভেলে আটকে রয়েছেন। ঠিক কি করলে লেভেল কি আপনি পার করতে পারবেন সেটি কোন ভাবেই আপনার মাথায় কাজ করছে না। তখন আপনি কি করবেন? গুগলে রয়েছে তারও সমাধান। গেইমের সেই ধাপ এগিয়ে আপনি ব্যবহার করতে পারেন গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট। বলা মাত্রই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনাকে নিয়ে যাবে ইউটিউব টিউটোরিয়ালে, যেখানে আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে সেই লেভেলটি পার করা যায়। এই টিউটোরিয়াল গুলো মূল গেমের উপরে ওভারলেইড হয়ে থাকবে। ফলে গেম খেলায় ঘটবে না কোন বিঘ্ন।

ডাটা সেন্টার

গুগলের এই রিসোর্সটি স্টেডিয়ার সফল বাস্তবায়নে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। এটি সম্পূর্ণ সার্ভিসটির মেরুদণ্ড। এর উপর ভিত্তি করেই পুরো সার্ভিসটি কাজ করবে। এই ডাটা সেন্টার গুলোর সার্ভারেই গেম গুলো রান করা হবে। তারপর তা পৌঁছে দেয়া হবে ব্যবহারকারীর স্ক্রিনে। অর্থাৎ এই রিসোর্সটি ছাড়া পুরো সার্ভিসটি অকেজো।

লিনাক্সের ব্যবহার

গুগল স্টেডিয়ার ডাটা সেন্টার গুলোর সার্ভার গুলো যে অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা চালিত হচ্ছে সেটি হচ্ছে লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এর ফলে গেম ডেভেলপারদের স্টেডিয়াতে তাদের গেম গুলো পোর্ট করতে হবে। অন্যান্য ক্লাউড গেমিং সার্ভিস গুলোতে ব্যবহার করা গেম গুলো স্টেডিয়াতে আনা যাবে না। গুগল আনরিয়েল এবং ইউনিটির মত বড় বড় প্রতিষ্ঠান সাথে পার্টনারশিপে গিয়েছে। কিন্তু তারপরও ডেভেলপারদের স্টেডিয়াতে ডেভলপ করার জন্য আগ্রহী করে তুলতে গুগলের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। কারণ গেইম গুলো ডেভলপ করতে, পাবলিশ করতে এবং স্টেডিয়াতে রান করতে কি রকম খরচ হবে সে সম্পর্কে গুগল কোন ধারনাই দেয়নি।

ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি

গুগল তাদের নিজস্ব কমপ্রেশন টেকনোলজি ব্যবহার করে ডিভাইস গুলোতে ফুল হাই ডেফিনিশন কিংবা 4k রেজুলেশনে স্ট্রিমিং সার্ভিস প্রদান করবে। সাধারণত ল্যাটেন্সি সমস্যাগুলো গেম ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারকে একই মেশিনে রেখে কমানো সম্ভব। কিন্তু তারপরও ব্যবহারকারীর একটি নির্ভরযোগ্য এবং সচল ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে স্টেডিয়া ব্যবহার করার জন্য। গুগল জানায় ফুল হাই ডেফিনিশন ৬০ ফ্রেম পার সেকেন্ডে স্টেডিয়াতে গেম গুলো রান করার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২৫ মেগাবিট পার সেকেন্ডের একটি ইন্টারনেট কানেকশন। গুগল স্টেডিয়ার বস ফিল হ্যারিসন কটাকুর সাথে একটি ইন্টারভিউ তো জানান যে তাদের এই সার্ভিসটি 4k রেজুলেশনে দেয়ার জন্য ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ৩০ মেগাবিট পার সেকেন্ডের প্রয়োজন পড়বে।

ল্যাটেন্সি সমস্যা

ইন্টারনেট স্পিড যতই হোক না কেন, ল্যাটেন্সির সমস্যা স্পিড দ্বারা সমাধান হয় না। অন্যান্য অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস, যেমন নেটফ্লিক্সে ভিডিও স্ট্রিম করার সময় ফিক্সড কনটেন্ট গুলো ডাউনলোড এবং বাফারিং হয়। কিন্তু অনলাইন গেমিং এ গেমিং সার্ভিসগুলো কন্ট্রোলারের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে। কন্ট্রোলারের মুভমেন্ট গুলো সার্ভারে পৌঁছায় এবং সার্ভার থেকে সে অনুযায়ী রেসপন্স আসে রিয়েল টাইমে। ফলে এখানে ডাউনলোড এবং বাফারিং এর কোন সুযোগ নেই। তাই সার্ভার থেকে ব্যবহারকারী যত কাছে থাকবেন ততো কম ইন্টারনেট ট্রাফিকের মুখোমুখি হতে হবে। যদিও গুগলের ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার খুবই শক্তিশালী, কিন্তু বড় বড় শহরে বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর এত পরিমাণে ডাটা রিয়েল টাইমে প্রসেস করাটা গুগলের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আবার যারা ওয়াইফাই ব্যবহার করে, তাদের হাজার হাজার আইএসপির উপর গুগলের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। আইএসপি গুলো তাদের ডাটা সেন্টারে ট্রাফিক গুলো কিভাবে রুট করে তার উপরও কোন গুগলে কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। অর্থাৎ বুঝতেই পারছি যে স্টেডিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ল্যাটেন্সি একটি বড় বাধা যদি না গুগল কোন ভিন্নধর্মী সমাধান নিয়ে আসে।

গেমিং ক্ষমতা এবং মান

গুগল জানায় যে স্টেডিয়ার সার্ভারগুলো কাস্টম AMD জিপিউ দ্বারা চালিত হবে যা প্রদান করবে ১০.৭ টেরাফ্লপ ক্ষমতা। তুলনার সুবিধার্থে বলি, PS4 প্রো দেয় ৪.২ টেরাফ্লপ পাওয়ার, x-box one x দেয় ৬ টেরাফ্লোপ পাওয়ার। তবে সম্পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করার জন্য আপনার প্রয়োজন একটি নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট কানেকশন। গুগল তার সার্ভার থেকে ইমেজ গুলো কমপ্রেস করে ব্যবহারকারীর কাছে পাঠাবে, ফলে ইমেজ কোয়ালিটি কিছুটা নিম্নমানের হবে। স্টেডিয়া কি রকম বিট রেট ব্যবহার করবে তা জানা যায়নি, তবে নেটফ্লিক্সে 4k ভিডিও স্ট্রিম করার সময় একটু খেয়াল করলে বুঝা যায় যে ইমেজ কোয়ালিটি ব্লু রে কপির মত অতটা ভালো নয়। স্টেডিয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অনেকটা একই রকম হবে।

প্রতিযোগিতা

সনি ইতিমধ্যে প্লে-স্টেশন গেম গুলো কনসোল এবং পিসিতে প্লে-স্টেশন নাও সার্ভিসটি দ্বারা স্ট্রিম করে থাকে। সনি গেইম স্ট্রিমিং সার্ভিস গাইকাই কে কিনে একে প্লে-স্টেশন নাও এ রূপান্তর করে। তারা অনলাইভ নামক আরেকটি গেম স্ট্রিমিং সার্ভিসকে কিনে শুধুমাত্র এটিকে বন্ধ করার জন্য। মাইক্রোসফটও নিজস্ব ক্লাউড গেমিং সার্ভিস এক্স-ক্লাউডের পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যে তারা এই সার্ভিসটি প্রদর্শন করেছে এবং এই বছরের শেষের দিকে ট্রায়াল শুরু করবে বলে জানিয়েছে।

সনি এবং মাইক্রোসফটের সার্ভিস গুলো গুগলের মত ক্লাউড নেটিভ না। ওই সার্ভিস গুলোতে ডেভলপারদের গেইম পোর্ট করতে কিংবা ঐ নির্দিষ্ট স্ট্রিমিং সার্ভিসের জন্য নতুন করে তৈরি করতে বাধ্য করে না। কিন্তু গুগলে স্টেডিয়া সার্ভিসটির জন্য ডেভলপ করতে ইমপোর্ট করতে হয় কিংবা নতুন করে তৈরি করতে হয়। তবে গুগলের একটি সুবিধা রয়েছে, সেটি হচ্ছে তারা চাইলেই তাদের হার্ডওয়ারগুলো বদলে ফেলতে পারবে এবং নতুন নতুন পরিবর্তন আনতে পারবে যা তাদের লেগ্যাসি কনসোল হার্ডওয়ারের কোনো প্রভাব ফেলবে না। অ্যামাজনও ক্লাউড গেমিং এর জগতে প্রবেশ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এনভিডিয়াও ভিডিও গেম স্ট্রিমিং এর সুবিধা প্রদান করে থাকে। ভালভাবে তাদের স্টিম লিংক গেম গুলো এক্সপান্ড করার পরিকল্পনা করছে। ফলে যে কোন জায়গা থেকে স্টিম গেম গুলো স্টিম লিংক হার্ডওয়ার অথবা স্টিম লিংক অ্যাপ দ্বারা ব্যবহারকারীরা স্ট্রিম করতে পারবেন।

অর্থাৎ সনি, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এবং গুগল হবে ক্লাউড গেমিং যুদ্ধের মূল খেলোয়াড়। সনি তাদের গেম এবং প্লে-স্টেশন নাও ব্যবহার করতে পারবে, মাইক্রোসফট তাদের এজিউর ডাটা সেন্টার এবং এক্স-ক্লাউডের এক্সবক্স গেইম পাস ব্যবহার করতে পারবে, অ্যামাজন ব্যবহার করতে পারবে তাদের ক্লাউড ডমিনেন্স, প্রাইম এবং গেমার দের মাঝে তুমুল জনপ্রিয় টুইচ সার্ভিস। এগুলো ব্যবহার করে তারা খুব সহজেই গেমারদের আকৃষ্ট করতে পারবে। তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকাটা গুগলের জন্য সহজ কোনো লড়াই হবে না। তবে যা দেখা যাচ্ছে, ক্লাউড গেমিং যুদ্ধ কেবল শুরু হচ্ছে।

কেমন লাগলো আমাদের আজকের লেখাটি? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। নতুন কোন কিছু নিয়ে জানতে চাইলে আমাদের জানাতে পারেন। প্রযুক্তি নিয়ে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে আমাদের সাথে থাকুন। চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে এবং প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য যোগ দিন আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে।

জ্ঞান চর্চা চলুক অবিরাম, প্রতিদিন

Credit:

Cover Image: wccftech


Rerefence:

How to play stadia


প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য রয়েছে

আমাদের কমিউনিটি

প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই সব সময়। তাই আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ প্রযুক্তির সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। আপনাদের যে কোন ধরনের সমস্যা, অজানা বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত সব সময়

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *