প্রযুক্তির খবর

নতুন মুন ল্যান্ডার নিয়ে কাজে নাসা মনোনীত করল ১১টি কোম্পানিকে

May 20, 2019

নতুন মুন ল্যান্ডার নিয়ে কাজে নাসা মনোনীত করল ১১টি কোম্পানিকে

চন্দ্র অভিযানের অগ্রদূত নাসা ২০২৪ সালে চাঁদে মানুষকে ফেরানোর ব্যাপারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি স্পেসএক্স, ব্লু ওরিজিন সহ ১১ টি কোম্পানিকে ৪৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে সেই প্রচেষ্টায় এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা। নাসা চায় কোম্পানিগুলো যেন চাঁদে অবতরণের প্রক্রিয়ার নানান দিক নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যায়।

নাসা বেশ কিছুদিন ধরেই চন্দ্রপৃষ্ঠে মানুষকে ফেরানোর ব্যাপারে বলে আসছিল। এবং এই সপ্তাহে তারা ঘোষণা দিল যে ব্লু ওরিজিন, লকহিড মার্টিন, স্পেসএক্স এবং বাকি ৮টি বেসরকারি কোম্পানিকে তারা অর্থায়ন করেছে যাতে করে কোম্পানিগুলো ‘লিটারেল মুন শট’ উপযোগী নয়া প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য প্রোটোটাইপ ও গবেষণা চালিয়ে যেতে পারে। সর্বশেষ এই অর্থ তহবিলের পরিমাণ ৪৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ‘মহাকাশে আবাস’ নিয়ে কাজ করা দুই কোম্পানির প্রত্যেককে নাসা ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবার দুই মাস এখনো পেরোয়নি।

প্রাইভেট সেক্টরের সাথে প্রচলিত পার্টনারশিপে বিরতি আনা ও প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করার জন্য নাসা এবার UCA বা ‘অনির্ধারিত চুক্তি কর্ম’ প্রয়োগ করছে যেখানে পূর্ণ চুক্তির ব্যাপারে মধ্যস্থতা ও সম্মত হবার আগেই কাজটি শুরু করে দেয়া যাবে।

হিউম্যান ল্যুনার এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামের পরিচালক মার্শাল স্মিথ বলেন, ‘আমরা আমাদের ব্যবসা করার প্রচলিত ধারাকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করছি। হার্ডওয়্যার ডেভেলপমেন্ট থেকে শুরু করে এমনকি অপারেশন্স এর প্রকিউরমেন্ট হতে পার্টনারশিপ পর্যন্ত সবকিছু এমনভাবে কার্যকর করা হচ্ছে যেন পরে সমস্যা না হয়।’ তন্মধ্যে নির্বাচিত ১১ টি কোম্পানি ডিসেন্ট, ট্রান্সফার ও মানুষ নেয়া-আনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে কাজ করবে।

এখানে বলে রাখা ভাল, ট্রান্সফার স্টেজটা পূর্বঘোষিত ‘গেটওয়ে’ হতে পাওয়া যাবে। গেটওয়ে হল আমাদের একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা একটি স্পেস স্টেশন; যা চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের আগে চাঁদের নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করে।

উদাহরণস্বরূপ, জেফ বেজসের ব্লু ওরিজিন ‘একটি ডিসেন্ট এলিমেন্ট, একটি ট্রান্সফার ভেহিক্যাল স্টাডি এবং একটি ট্রান্সফার ভেহিক্যাল প্রোটোটাইপ’ নিয়েই গবেষণা করবে; যেখানে স্পেস এক্স শুধুমাত্র একটি ডিসেন্ট এলিমেন্টের কাজে পুরোপুরি ফোকাস দিবে। ডিসেন্ট এলিমেন্ট হল যা নভোচারীকে চন্দ্রপৃষ্ঠে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। বাকি কোম্পানিগুলো ও তাদের অনুসন্ধানের পূর্ণ তালিকা নাসার প্রেজ রিলিজে পাওয়া যাবে।

স্যাটেলাইট

বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে জানতে দেখুন
বঙ্গবন্ধ স্যাটেলাইট ১

কোম্পানিগুলোর সাথে নাসার পার্টনারশিপ বেশ উন্মুক্ত। নাসা আগেই তাদেরকে ধরাবাঁধা নির্দিষ্ট কোন নকশা বা প্রক্রিয়ার কথা না বলে উল্টো জিজ্ঞেস করেছে ‘আপনারা কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করবেন?’ ফলে আসলেই কী ধরনের সমাধান হয়েছে আগামী ৬ মাস পরে সেটা দেখাটা সত্যই আকর্ষণীয় হবে।

Source: NASA

প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য রয়েছে

আমাদের কমিউনিটি

প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই সব সময়। তাই আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ প্রযুক্তির সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। আপনাদের যে কোন ধরনের সমস্যা, অজানা বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত সব সময়

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *