প্রযুক্তির খবর

দুই দশক পর জানা গেল নাসার রকেট উৎক্ষেপণ বিপর্যয়ের কারণ

May 2, 2019

দুই দশক পর জানা গেল নাসার রকেট উৎক্ষেপণ বিপর্যয়ের কারণ

এক দশক পূর্বে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখ ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ বিমান ঘাটি থেকে নাসা Taurus XL রকেট উৎক্ষেপণ করে। রকেটটি মহাশূন্যে নাসার একটি স্যাটেলাইট পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছিল। স্যাটেলাইটটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সসাইডের পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু পরিবহন ক্ষমতার থেকে অতিরিক্ত ওজন দেয়ায় রকেটটি তার গন্তব্য অরবিটে পৌছাতে পারেনি।

দুই বছর পর মার্চের ৪ তারিখ ২০১১ তে একই জায়গা থেকে নাসা Taurus XL এ করে আরেকটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে। স্যাটেলাইটটি বায়ুমণ্ডলে সালফার এবং অন্যান্য রাসায়নিক ও তরলের বাষ্পীয় অবস্থা পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করার জন্য পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু আবার নাসা এই স্যাটেলাইটটিও মূল রকেট থেকে আলাদা করতে ব্যর্থ হয়। দুটি স্যাটেলাইটে নাসার মোট ৭০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।

২০১৫ তে তদন্তের পরে বের হয়ে আসে, যে কোম্পানি নাসার তোরাস রকেটের ৪ পর্যায়ের রকেট বুস্টারের জন্য অ্যালুমিনিয়াম বিশিষ্ট এক্সট্রুশন সরবরাহ করেছিল তারা সে এক্সট্রুশনের মানের ভুয়া রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। নাসা কিছুদিন আগে তাদের এক দশক ধরে চালানো তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ত্রুটি পূর্ণ অ্যালুমিনিয়াম এক্সট্রুশন পেলোড পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ায় বাঁধা প্রদান করে যার ফলে স্যাটেলাইট গুলো মূল রকেট থেকে আলাদা হতে পারেনি। অ্যালুমিনিয়াম এক্সট্রুশনের কোয়ালিটির ভুয়া রিপোর্ট এক্সট্রুশন প্রস্তুতকারী কোম্পানি নাসাকে প্রদান করে।

স্যাটেলাইট

বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে জানতে দেখুন
বঙ্গবন্ধ স্যাটেলাইট ১

এই ঘটনার পরে SPI নামের ঐ কোম্পানিকে সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৫ থেকে ইউএস সরকারের সাথে করা সকল প্রকার ব্যবসায়ীক চুক্তি থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

News Source

প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য রয়েছে

আমাদের কমিউনিটি

প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই সব সময়। তাই আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ প্রযুক্তির সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। আপনাদের যে কোন ধরনের সমস্যা, অজানা বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত সব সময়

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *