নিরাপত্তা সফটওয়্যার

কম্পিউটার ভাইরাস

January 29, 2019

কম্পিউটার ভাইরাস

কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের বিশেষ সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অজান্তেই এর ভিতরে প্রবেশ করে ক্ষতিকারক কাজ সমূহ সম্পাদন করে থাকে। কোন কোন কম্পিউটার virus এতটাই ক্ষমতাশালী হয় যে ব্যবহারকারীকে কোনভাবে এর অবস্থান বুঝতে না দিয়েই কম্পিউটারের ভিতর ক্ষতিকারক কাজ সমূহ চালিয়ে যায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ডাটা সমূহকে নষ্ট করে। কম্পিউটার ভাইরাস গুলো এরকম ভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে যে এগুলো ছড়ানোর জন্য আলাদাভাবে কোন সাধারণ ব্যবহারকারীর প্রয়োজন পড়ে না। তৈরির পরে একটি ভাইরাস নিজের আরেকটি কপি করে কোন এক মাধ্যম ব্যবহারের দ্বারা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।

কম্পিউটার ভাইরাস নিজেই নিজের কপি তৈরি করতে পারলেও বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে কোন মাধ্যম ব্যবহারের দ্বারা ছড়াতে পারলেও নিজেকে নিজে তৈরি করতে পারে না। সকল virus প্রোগ্রামাররা তৈরি করে। প্রাথমিক ভাবে একটি ভাইরাস কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের বুট সেক্টরে প্রবেশ করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। বিভিন্ন প্রকার প্রোগ্রামকে পরিবর্তন করে কম্পিউটারকে মেল ফাংশন করে। VIRUS নামের পূর্ণরূপ হচ্ছে – “Vital Information Resources Under Siege”.

কম্পিউটার ভাইরাস মানুষের শরীরে আক্রমণ করা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মত। মানুষের দেহে আক্রমণ করা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া কোন না কোন মাধ্যমের দ্বারা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে ঠিক তেমন ভাবে কম্পিউটার ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে যাওয়ার জন্য কোন না কোন মাধ্যমকে ব্যবহার করে। যেমন ইউএসবি ডিভাইস, ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট, ভাইরাস পূর্ণ সফটওয়্যার ইত্যাদি।

যে কোন মাধ্যমকে ব্যবহার করে কম্পিউটার ভাইরাসকে ছড়ানো পূর্বে একে যথাযথভাবে প্রোগ্রাম করা হয় নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য। তার মানে প্রতিটি ভাইরাসকে ভিন্ন ভিন্ন কাজ করার জন্য আলাদা ভাবে প্রোগ্রাম করা হয়।

কম্পিউটার ভাইরাসকে আবার ভিন্ন নামে ডাকা হয় যেমন Worm, Malware, Ransomware ইত্যাদি। নামের সাথে এদের প্রত্যেকের কাজ করার ধরণও আলাদা। কাজ করার ধরনের উপর ভিত্তি করে ভাইরাসকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে,

  • Boot sector viruses
  • Program viruses
  • Multipartite viruses
  • Stealth viruses
  • Macro viruses
  • Polymorphic viruses
  • Active X viruses
  • Browser hijacker
  • Resident viruses
  • File infector viruses
  • Rootkit viruses

অনেক ক্ষেত্রে কম্পিউটার ভাইরাসকে টাইম বোমের সাথে তুলনা দেওয়া হয়। কারণ একে প্রোগ্রাম করে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অকার্যকর রাখা যায়। ওই নির্দিষ্ট সময় পরে ভাইরাসটি এক্টিভেট হয় এবং তাতে করা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে। এসব ভাইরাসের অ্যালগরিদম এতটাই শক্তিশালী হয় যে ইনফেক্টেড সিস্টেমকে রিকোভার করা মোটামুটি প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে কারণে সমস্ত ভাইরাসগুলোকে অনেক বড় বড় সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

এসব ভাইরাসকে বানানো হয় ওরকম শক্তিশালী করে যার ফলে এক্টিভেট হওয়ার সাথে সাথে এরা পুরো সিস্টেমকে পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলে। সিকিউরিটি সিস্টেমকে নষ্ট করে ডেটা এনক্রিপশন, ডেপক্রিপশন এবং চুরি করে থাকে। যে কোন প্রকার নেটওয়ার্কের আওতাধীন ডিভাইস যেগুলো সফটওয়্যার নির্ভর সেগুলোকে ভাইরাস ব্যবহার করে হ্যাক করা সম্ভব।

বর্তমানে কম্পিউটার ভাইরাসকে অনেক বড় বড় অপরাধ করার জন্য ব্যবহার করা হয় । ভাইরাসকে ব্যবহার করে হ্যাকাররা হ্যাকিং করে তথ্য চুরি করে থাকে। ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অথবা কোন দেশের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকে চুরি করার জন্য ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। এসব হ্যাকিং এর মূল উদ্দেশ্য থাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধারা ব্ল্যাক-মেইল করে অর্থ অথবা অন্য কোন সম্পদ হাতিয়ে নেয়া। কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিবছর বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি সাধন করে থাকে।

সব থেকে বেশি ভাইরাস আক্রমণের শিকার হয় মাইক্রোসফট উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্ম। ভাইরাসের আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপাররা এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম তৈরি করে থাকে। কিন্তু এই সকল এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম গুলো বিশেষ কোনো কাজে দেয় না কেননা প্রতিনিয়ত কোন না কোন নতুন নতুন ভাইরাস তৈরি করা হয়।

কম্পিউটার ভাইরাসের ক্ষতিকর দিক সমুহ

  • অপারেটিং সিস্টেমের ফাইলকে নষ্ট করে কম্পিউটার কি স্লো করে ফেলে
  • কিছু প্রোগ্রামকে সাময়িকভাবে নষ্ট করে অথবা পুরোপুরি মুছে ফেলে
  • অপারেটিং সিস্টেমের বুট সেক্টরকে নষ্ট করে ফেলে
  • কম্পিউটারে স্টোর করে রাখা ব্যক্তিগত তথ্য অন্য একজনের কাছে পাঠিয়ে দেয়া
  • হার্ড ড্রাইভে রাখা সম্পূর্ণ ডাটা সমূহকে মুছে ফেলা
  • হার্ডড্রাইভকে পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলা
  • অপ্রয়োজনীয় এবং বিরক্তিকর ম্যাসেজ কম্পিউটার স্ক্রিনে দেখানো
  • কিছু কিছু ভাইরাস কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের ভোল্টেজ রেটিং পরিবর্তন করে দিতে পারে, এতে করে সার্কিট ড্যামেজ হয় এবং কম্পিউটার সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যায়

কিছু ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার ভাইরাস নামে পরিচিত

  • Computer Worms
  • Trojan horse
  • Spam virus
  • Spyware
  • Zombies

কম্পিউটার ভাইরাসের শুরুর ইতিহাস

পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি হয় 1971 সালে। Robert Thomas সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করেন। তিনি BBN টেকনোলজিসের একজন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাসটির নাম “Creeper”। ভাইরাসটি ARPANET এর মেইনফ্রেমের TENEX operating system এর মধ্যে ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে ঢুকে পড়ে। এটি একটি বুট সেক্টর ভাইরাস ছিল। ভাইরাসটি কম্পিউটারের স্ক্রিনে একটি মেসেজ দেখায়, যেটি ছিল “I’m the creeper: Catch me if you can.”

দ্বিতীয় কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি হয় 1982 সালে Richard Skrenta মাধ্যমে। এটি ছিল বুট সেক্টর ভাইরাস। এর নাম “Elk Cloner”। Richard Skrenta যখন এটিকে তৈরি করেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র 15 বছর। তিনি তখন নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। এটি তিনি তার বন্ধুদের সাথে মজা করার উদ্দেশ্যে তৈরি করেন। Apple II অপারেটিং সিস্টেমে ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে প্রবেশ করে। ইনফেক্টেড কম্পিউটারের স্ক্রিনে Elk Cloner একটি কবিতা দেখাতো। এটি ছিল এরকম,

“Elk Cloner: The program with a personality

It will get on all your disks

It will infiltrate your chips

Yes, it’s Cloner!

It will stick to you like glue

It will modify RAM too

Send in the Cloner!”

১৯৮৬ সালে দুই পাকিস্তানি ভাই বাসিত এবং আবজাদ ফারুক “Brain” নামের আরেকটি বুট সেক্টর ভাইরাস তৈরি করেন। সে সময় বাসিত ছিলেন 17 এবং আমজাদ ছিলেন 24 বছর বয়সের। এটি IBM PC operating system জন্য বানানো ছিল। তারা তাদের Brain Computer Services এর মেডিকেল সফটওয়্যারের পাইরেসি বন্ধের উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করেন। এটি Elk Cloner মতই কোন ক্ষতিকারক ভাইরাস ছিল না। এটি শুধুমাত্র বুট সেক্টরকে অন্য একটি ইনফেক্টেড বুট সেক্টর দিয়ে পরিবর্তন করতো। এতে করে কয়েক কিলোবাইট জায়গা নষ্ট হতো যা ওই সময়ে অনেক বেশি মূল্যবান ছিল। কম্পিউটার স্লো হয়ে যেত এবং ব্যবহারকারীকে কোন কাজ সেভ করতে দিত না। কম্পিউটারের স্ক্রিনে Brain মেসেজ দেখাতো-

“Welcome to the Dungeon (c) 1986 Basit & Amjad (pvt) Ltd. BRAIN COMPUTER SERVICES 730 NIZAB BLOCK ALLAMA IQBAL TOWN LAHORE-PAKISTAN PHONE :430791,443248,280530. Beware of this VIRUS…. Contact us for vaccination………… $#@%$@!!”

এবার কিছু ক্ষতিকারক ভাইরাসের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি জানা যাক

File infectors

এই ভাইরাসটি প্রোগ্রাম ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে প্রোগ্রাম ফাইলের এক্সটেনশনকে পরিবর্তন করে .exe এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল বা সিস্টেম ফাইলের ভেতর ঢুকে থাকে। যখন কোন ইনফেক্টেড প্রোগ্রাম রান করা হয় তখন সেই প্রোগ্রামের সাথে File infectors virus রান করে। এতে করে সিস্টেমের প্রোগ্রাম ফাইল স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে পারে না। যার ফলে সিস্টেম মেল ফাংশন করে এবং স্লো হয়ে যায়। 

Macro viruses

এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্য কোন প্রোগ্রামের ম্যাক্রো ল্যাঙ্গুয়েজ কমান্ডকে টার্গেট করে থাকে। ম্যাক্রো হল আমরা কিবোর্ডে টাইপিং এর সময় যে সকল কি প্রেস করে থাকি তা ডকুমেন্ট ফাইলের কমান্ড সেকশনে কি স্ট্রোক এমবেডেড কমান্ড আকারে সেইভ করে রাখে। ম্যাক্রো ভাইরাস ওই সকল কমেন্ট সেকশনে ম্যালিশিয়াস কোডকে ওয়ার্ড ফাইলের ভেতর ঢুকিয়ে দেয়। মাইক্রোসফট ম্যাক্রো ভাইরাসের হাত থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডকে রক্ষার জন্য নতুন ভার্সন গুলোতে ম্যাক্রো কমান্ড সেকশন বন্ধ করে দিয়েছে।

Overwrite viruses

কিছু ভাইরাসকে ডিজাইন করা হয় বিশেষ করে কোন সফটওয়্যারের ফাইল ডাটা ফাইলকে নষ্ট করার জন্য। একটি সিস্টেমকে ইনফেক্টেড করার পরে Overwrite virus সিস্টেমের প্রোগ্রাম ফাইল গুলোকে ওভার রাইট করা শুরু করে। ওভার রাইট করার সময় ভাইরাসের ভিতরে থাকা কমান্ড প্রোগ্রাম কোড গুলো সিস্টেম ফাইলের প্রোগ্রাম কোডের ভেতর ঢুকিয়ে দেয়। এতে করে সিস্টেমের প্রোগ্রাম পরিবর্তিত হয় এবং সিস্টেম স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে না। Overwrite virus অ্যাপ্লিকেশনের ভেতরে নতুন কোড ফাইল ইন্সটল করতে পারে যা পরবর্তীতে অন্য কোনো ডিভাইসের অ্যাপ্লিকেশন বা সিস্টেম ফাইলের ভিতর ছড়াতে পারে।

Polymorphic viruses

এই ভাইরাসটি এক ধরনের ম্যালওয়্যার। এটি ইনফেক্টেড সিস্টেম ফাইলের ভেতর ঢোকার পরে প্রতিবার ইনফেক্টেড ফাইল এক্সিকিউশনের পর নিজের কোডকে পরিবর্তন করে। এই ভাইরাসটি কাজটি করে থাকে অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য। কারণ প্রতিবার নতুন কোড পরিবর্তনের জন্য এর নাম পরিবর্তিত হয়। যার ফলে পরিবর্তিতে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামটিকে চিনতে পারে না। এতে করে এই ভাইরাসটির কাজ করতে সুবিধা হয় এবং অনেক সময় পর্যন্ত সিস্টেমের ভিতর থাকতে পারে এবং অন্য সিস্টেমে ছড়াতে পারে।

Resident viruses

সিস্টেম মেমোরি অথবা র‍্যামের ভেতরে ভাইরাসটি প্রবেশ করে থাকে অরিজিনাল ভাইরাসটি কোন প্রোগ্রাম অথবা অ্যাপ্লিকেশন ফাইলকে ইনসার্ট করা প্রয়োজন পড়ে না এমনকি যদি virus ঠিক সিস্টেম থেকে রিমুভ করে দেওয়া হয়। এরপরেও এটি সিস্টেম মেমোরি বা র‍্যাম থেকে আগে থেকে লোড করা ভাইরাস কি কি সেইভ করা পুনরায় লোড করতে পারে যখন কোন স্পেস এমবি শেষ যখন যখন কোন স্পেসিফিক নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম অথবা অ্যাপ্লিকেশন অপারেটিং সিস্টেম লোড করে তখন ভাইরাসটি পুনরায় একটিভ হয় অ্যাক্টিভ অ্যাক্টিভ রেসিডেন্ট ভাইরাস অনেক বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে কারণ এটি সহজেই এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামকে ফাঁকি দিতে পারে এবং সিস্টেম মেমোরির ভিতরে লুকিয়ে থাকতে পারে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত।

Rootkit viruses

এই ম্যালওয়্যারটি একটি আনঅথরাইজ rootkit ফাইলকে সিস্টেমের ভেতরে ইন্সটল করে যার ফলে হ্যাকাররা পুরো সিস্টেমের সম্পূর্ণ কন্ট্রোল করতে পারে। সিস্টেমে যে কোনো রকমের মডিফিকেশন থেকে শুরু করে ডিলিট অথবা নতুন কোন প্রোগ্রামকে এড করতে পারে। একে ডিজাইন করা হয় এন্টিভাইরাস বা অ্যান্টি ম্যালওয়্যার প্রোগ্রামকে বাইপাস করার জন্য। নতুন অ্যান্টি ম্যালওয়্যার এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম সফটওয়্যার গুলো তাদের সফটওয়্যার গুলোতে rootkit স্ক্যানিং টুল দেয়া থাকে।

স্টোরেজ ডিভাইস

স্টোরেজ ডিভাইস নিয়ে জানতে দেখুন
স্টোরেজ ডিভাইস কি?

সর্বকালের সেরা কিছু ক্ষতিকারক ভাইরাস

  • Storm Worm
  • Leap-A/Oompa-A
  • Sasser and Netsky
  • MyDoom
  • 5.SQL Slammer/Sapphire
  • Nimda
  • Code Red and Code Red II
  • The Klez Virus
  • ILOVEYOU
  • Melissa

কিভাবে ভাইরাস কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা যায়

কম্পিউটারে ভাইরাস মুছে ফেলার দুটি পদ্ধতি রয়েছে প্রথমটি হল ইনফেক্টেড এরিয়াতে ভাইরাস খুঁজে ম্যানুয়ালি সেগুলোকে রিমুভ করা। কিন্তু সব virus এভাবে রিমুভ করা সম্ভব হয় না। কিছু ছোটখাটো ম্যালওয়্যার রিমুভ করা সম্ভব হয়।দ্বিতীয় পদ্ধতি হচ্ছে কোন ভালো এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম কম্পিউটারের ভেতরে ইন্সটল করে পুরো সিস্টেমকে স্ক্যান করে ভাইরাস রিমুভ করা এবং এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামকে রেগুলার আপডেট রাখা।

ভাইরাস থেকে কম্পিউটার রক্ষার জন্য করনীয়

পরবর্তীতে যাতে কোন virus কম্পিউটারের ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য ইউএসবি ডিভাইস সমূহ কম্পিউটারের ভিতর ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে ইউএসবি ডিভাইস এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম দিয়ে স্ক্যান করে নিতে হবে। যেকোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজিং এর আগে এ সম্পর্কে জানতে হবে।

যে কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করার পূর্বে সে গুলোকে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম দিয়ে স্ক্যান করে নিতে হবে। কম্পিউটারের ভেতর কোন প্রকার অস্বাভাবিক ফাইল দেখা গেল সে গুলোকে রিমুভ করে দিতে হবে। হঠাৎ কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে অথবা কোন এপ্লিকেশন রান করতে প্রবলেম করলে বা অ্যাপ্লিকেশনের ভিতর অস্বাভাবিক আচরণ দেখা গেলে পুরো সিস্টেমকে এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম দিয়ে স্ক্যান করে ভাইরাস পাওয়া গেলে সেগুলো রিমুভ করে দিতে হবে।

কেমন লাগলো আমাদের আজকের লেখাটি? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। নতুন কোন কিছু নিয়ে জানতে চাইলে আমাদের জানাতে পারেন। প্রযুক্তি নিয়ে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে আমাদের সাথে থাকুন। চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে এবং প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য যোগ দিন আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে।

জ্ঞান চর্চা চলুক অবিরাম, প্রতিদিন

Credits

Cover Image – Yuri Samoilov | Flicker (CC By 3.0)

Reference

First computer virus

First computer brain virus

Who Invent the computer virus

Computer virus, Virus

Common type of virus, Types of virus

Virus definition, 10 Types of Virus, Common virus

Internet security malware, Worst computer viruses

Famous malicious computer viruses

Internet virus, Virus full form

Brain Computer Virus, Timeline of computer viruses

প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য রয়েছে

আমাদের কমিউনিটি

প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই সব সময়। তাই আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ প্রযুক্তির সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। আপনাদের যে কোন ধরনের সমস্যা, অজানা বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত সব সময়

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *