বাংলাদেশ

বাংলাদেশে 4G নেটওয়ার্কের যাত্রা

April 8, 2018

বাংলাদেশে 4G নেটওয়ার্কের যাত্রা

4G, নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে নতুন কিছু আসছে বাংলাদেশের জন্য। মোবাইলে 2G, 3G নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ব্যাপার গুলোর সম্পর্কে ধারনা চলে এসেছে আমাদের মধ্যে। এই 3G, 4G এর G বলতে আসলে আমরা কি বুঝি? এখানে এই G বলতে বুঝানো হয় প্রজন্ম বা জেনারেশন। তাই ৪জি বলতে আমরা চতুর্থ প্রজন্ম বা 4th জেনারেশন নেটওয়ার্ক বুঝতে পারি। ৪জি মূলত আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।

হাই স্পীড ইন্টারনেট, ভিডিও স্ট্রিমিং, লাইভ গেমিং এক্সপেরিয়েন্স গুলো হবে আরো উন্নত, যা সম্পূর্ণ একটি ওয়ারলেস নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে কাজ করবে। বর্তমান সময়ে মোবাইল অপারেটর গুলোর মার্কেটিং এর মুখ্য বিষয় হচ্ছে এই 4G। কিভাবে কার থেকে বেটার 4G নেটওয়ার্ক দিতে পারবে এই নিয়ে চলছে তুমুল প্রতিযোগিতা। রবি তো পারলে মনে হয় এখনই 5G এক্সপেরিয়েন্স দিয়ে দিবে সবাইকে। আপাতত কে কিভাবে প্রতিযোগিতা করছে তার দিকে নজর না দিয়ে আমরা এখন একটু নজর দেই 4G আসলে কিভাবে কাজ করে।

প্রতিবেদনটি ভিডিও আকারে দেখতে চাইলে দেখতে পাবেন নিচের ভিডিও থেকে

4G নেটওয়ার্কের যাত্রা কিভাবে শুরু হল?

একটু পিছনে দিকে ফিরে আসি। 2002 সালের দিকে IUT প্রথম ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করে যাকে তারা নাম দেয় IMT-Advanced। এই ৪জি নেটওয়ার্ক বিভিন্ন রিসার্চ এবং টেস্টিং মধ্য দিয়ে যেতে যেতে 2009 সালের ডিসেম্বর মাসের 14 তারিখে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে প্রথম ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে যাত্রা শুরু করে টেলিয়া সনিরা নামের একটি মোবাইল কোম্পানি। তাদের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা তৈরি করতে কাজ করে হুয়াওয়ে এবং এরিকসন।

স্ক্যান্ডিন ইভিআর রাজধানী স্টকহোম এবং অস্লো থেকে ৪জি নেটওয়ার্কের যাত্রা শুরু করে তা ছড়িয়ে নেয় সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিন্ডল্যান্ড শহরে। ১০ মেগাহার্জের স্পেকট্রাম ব্যান্ডউইথ দিয়ে তারা যেই নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা তৈরি করলো তা সর্বোচ্চ 50mbit/s ডাউনলোড এবং 25mbit/s আপলোড স্পীড দিতে সক্ষম ছিল। টেস্ট করার পর দেখতে পেল যে 42mbit/s ডাউনলোড স্পীড এবং 5.3mbit/s আপলোড স্পীড দিতে সক্ষম হচ্ছে। 2010 সালের হিসাব অনুযায়ী এই ইন্টারনেট স্পীড অনেক দ্রুততম ছিল মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে। এই ৪জি নেটওয়ার্ক ধীরে ধীরে বিভিন্ন উন্নত দেশ গুলোর মাঝে ছড়িয়ে যেতে থাকে ২০১৫ সাল নাগাদ।

আমাদের দেশের মোবাইল অপারেটর গুলো ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের দিকে ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে হিসেব নিকেশ করছিল কিভাবে বাংলাদেশে এই সার্ভিস শুরু করা যায়। গ্রামীনফোনের রাজিব সেথি এক ইন্টারভিউতে ডেইলি স্ট্যারকে বলেছিল যে বাংলাদেশে ৯০% এরিয়াতে তারা ৩জি সার্ভিস ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে এখন তারা সেখানে ৪জি ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করছে। হুয়াওয়ের সাথে তারা বিভিন্ন ধরনের টেস্টিং করে দেখতে পেরেছে যে ৪জি নেটওয়ার্কে তারা অনেক ভাল ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম হচ্ছে।

পরবর্তী বছর রবির নিউজ রুম থেকে পাওয়া তথ্য মতে তারা এরিকসনের সাথে ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ করে সফল হয়েছে এবং সর্বোচ্চ 90mbit/s এর উপরে ইন্টারনেট স্পীড সাপোর্ট দিতে পারবে। সবার সাথে সাথে বাংলালিংক ও পিছিয়ে ছিল না তারা ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্সের পাওয়ার অপেক্ষাতে প্রহর গুনতে শুরু করলো। অবশেষে BTRC থেকে লাইসেন্স পেয়ে বাণিজ্যিক ভাবে ৪জি নেটওয়ার্ক সেবা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হল মোবাইল অপারেটর গুলোর।

3G নেটওয়ার্কে কি ধরনের স্পীড পেতে পারি?

এখন একটু থিওরেটিকাল ব্যাপার স্যাপারে আসি। যদি আমরা 3G নেটওয়ার্কের দিকে ভাল করে খেয়াল করি তাহলে 3G নেটওয়ার্কে কে উন্নত হতে হতে এসেছিল 3.5G, 3.75G এবং 3.8G নেটওয়ার্ক। এই 3G থেকে শুরু করে 3.8G নেটওয়ার্ক পর্যন্ত আমরা সর্বোচ্চ 2mbit/s থেকে শুরু করে 84mbit/s পর্যন্ত স্পীড সাপোর্ট পেয়েছে কিন্তু এগুলো ছিল সম্পূর্ণ থিওরেটিকাল স্পীড।

রিয়েল লাইফে আমরা সর্বোচ্চ 384kbit/s থেকে শুরু করে 4-6mbit/s পর্যন্ত স্পীড পাই। এই 3G কে ইম্প্রুভ করে সামনের দিকে নিয়ে যেতে আসলো 3.9G নেটওয়ার্ক যাকে টেকনিক্যালি আমরা প্রি-4G নেটওয়ার্ক বলি। কিছু কিছু মোবাইল কোম্পানি 3.5 বা 3.75G নেটওয়ার্ককে 4G বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে শুরু শুরুতে। এই ব্যাপার গুলো টেকনিক্যালি ম্যানেজ করে মোবাইল কোম্পানি গুলো যাতে ডিভাইসের খরচ কমিয়ে গ্রাহক পর্যায় সেবা প্রদান করতে পারে।

4G নেটওয়ার্কে কি ধরনের স্পীড আশা করা যেতে পারে?

4G নামের সাথে যদি কাজের মিল না পাওয়া যায় তাহলে হয় নাকি। ৪জি নেটওয়ার্ক আমাদেরকে সর্বোচ্চ 100-150mbit/s ডাউনলোড এবং 50-75mbit/s আপলোড স্পীড দিতে পারবে। খুব কম ল্যাটেন্সি থাকার কারণে ইন্টারনেটে কানেক্ট হতে পারে খুব দ্রুত এবং কম নেটওয়ার্ক কভারেজ এরিয়াতে ফুল স্পীডে ইন্টারনেট ব্যবহারের সাপোর্ট দিতে পারে। কিন্তু এইসব কথাবার্তা গুলো আবারও একটু থিওরেটিকাল, রিয়েল লাইফে একটু ভিন্ন ব্যাপার স্যাপার এইখানে।

আপনার এরিয়াতে নেটওয়ার্কের সঠিক কভারেজ, পর্যাপ্ত ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ, কেমন ইউজার ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, এবং 4G নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড ডিভাইসের উপর নির্ভর করছে সম্পূর্ণ পারফরমেন্স পাওয়ার ব্যাপারটা। কোন একটির ঘাটতি আপনাকে ফুল পারফরমেন্স নাও দিতে পারে। সত্যিকার অর্থে এভারেজ আপনি সর্বোচ্চ 20mbit/s ডাউনলোড এবং 10-12mbit/s আপলোড স্পীড পাবেন 4G নেটওয়ার্কে। এই এভারেজ স্পীড আমাদের HD ভিডিও দেখতে বা ভিডিও কলে কথা বলতে তেমন একটা সমস্যা করবে না। যেই সমস্যাটা আমরা 3G নেটওয়ার্ক এ দেখে আসছিলাম। আপাতত আমাদের দেশের 3G ইন্টারনেট গড় স্পীড 3.75mbit/s। ৪জি আসার পর এই গড় স্পীডের পরিমাণ বাড়তে পারে।

বাংলাদেশের 4G নেটওয়ার্কের বর্তমান অবস্থা কি?

সব ছেড়ে এখন শুধু বাংলাদেশে আসি। ৪জি এর যাত্রা যেহেতু মাত্র শুরু হয়েছে আমাদের দেশে তাই সব যায়গায় ৪জি নেটওয়ার্ক পাওয়ার আশা করাটা ভুল হবে এখন। মোবাইল কোম্পানি গুলো যেখানে 3G সব প্রান্তে পৌছাতে পারেনি সেখানে ৪জি সব প্রান্তে পৌছাতে অনেকটা সময় লাগবে সেটা আন্দাজ করাই যাচ্ছে। আমাদের দেশের ৫ টি মোবাইল অপারেটরের মধ্যে ৪টি বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেল তাদের ৪জি সার্ভিস দেওয়া শুরু করেছে, বাদ আছে আমাদের সরকারী অপারেটর টেলিটক।

রবি মাঠে নেমেই বলে দিচ্ছে তারা 4.5G নেটওয়ার্ক সার্ভিস দিতে যাচ্ছে। ব্যাপারটা আমার কাছে টেকনিক্যাল কম মার্কেটিং বেশি মনে হচ্ছিল ইতি মধ্যে আমি কিছু গুণগান শুনেছি যে রবির ৪জি অন্যান্য মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এর তুলনায় অনেক ভাল (এয়ারটেল এর কথা আমরা তেমন কিছু জানাতে পারছি না কারণ আমরা টেস্ট করতে পারি নি, আপাতত দৃষ্টিতে রবি এবং এয়ারটেল সার্ভিস যেহেতু একজনই দিচ্ছে, তাই রবির মত সার্ভিস এয়ারটেলে আশা করা যেতে পারে)। টেস্ট করে দেখার পর মনে হয়েছে যে রবির ইন্টারনেট স্পীড আপাতত দৃষ্টিতে ভালই। ইউজার বাড়ার সাথে সাথে যদি এমন ইন্টারনেট সেবা যদি আমাদের দিতে থাকে তাহলে আমি বলবো নামের সাথে কাজের ধরনটাও ঠিক আছে। আমরা সর্বোচ্চ 47mbit/s ডাউনলোড স্পীড পেয়েছি রবির ৪জি নেটওয়ার্কে।

তবে আমরা এখন আসল 4.5G এর বিস্তারিত ব্যাপারটা দেখি। 3G নেটওয়ার্ককে যেমন উন্নত করে 3.5, 3.75 এইভাবে উপরে উঠেছে ঠিক সেই ভাবে 4G নেটওয়ার্ককে উন্নত করে এসেছে 4.5G নেটওয়ার্ক বা 4G LTE-Advance। থিওরেটিকাল কথা বার্তায় এই নেটওয়ার্ক সর্বোচ্চ 1000mbit/s বা 1gbit/s ডাউনলোড এবং 500mbit/s আপলোড স্পীড দিতে পারে। রিয়েল লাইফেও এর হিসাব আলাদা, সর্বোচ্চ 42mbit/s ডাউনলোড এবং 30mbit/s আপলোড স্পীড দিতে সক্ষম।

বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর গুলো মাত্র 4G বা 4G LTE এর জন্য রেডি হচ্ছে। সেখানে 4G LTE-A দিকে যাওয়ার হিসাব আরো অনেক পরে। উইকিপিডিয়ার হিসাবে মাত্র ৩ টি মোবাইল কোম্পানি 4G LTE এর জন্য কাজ শুরু করছে। 4G LTE-A নিয়ে আমরা লিস্ট চেক করি কিন্তু সেখানে রবিকে দেখতে পাইনি তাই আপাতত দৃষ্টিতে রবির 4.5G কে আমরা ৪জি হিসেবে ধরে নিচ্ছি। বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্ক গুলো দেখতে পারেন (4G LTE Network in Asia4G LTE-A Network List)। এমন হতে পারে রবি 4G LTE-A এর জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছে। ব্যাপার গুলো সময়ের সাপেক্ষে পরিবর্তনও হতে পারে।

বাংলাদেশের 4G নেটওয়ার্কের কাভারেজ সম্পর্কে কিভাবে ধারনা পাব?

অপারেটর গুলো শুরু করে দিয়েছে ৪জি নিয়ে বিভিন্ন অফার। কিন্তু আমি অফার এর থেকে কভারেজ নিয়ে চিন্তায় ছিলাম তাই কভারেজ চেক করতে মাঠে নামি। গ্রামীণফোন, এয়ারটেল, রবি ওয়েব সাইটে গিয়ে আপনি চাইলে আপনার এলাকায় ৪জি কভারেজ আছে কিনা তা চেক করে নিতে পারবেন। গ্রামীণফোনের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা সহজে চেক করে নিতে পারবেন আপনার সিম ৪জি সাপোর্ট কিনা। তবে বাংলালিংকের ওয়েবসাইটে কভারেজ নিয়ে তেমন কোন ইনফরমেশন পেলাম না তাই বাংলালিংকের ৪জি কভারেজের ব্যাপার তেমন কোন ধারনা পাওয়া যাচ্ছে না।

ম্যানুয়ালি চেক করার জন্য ওপেন-সিগন্যালের ওয়েবসাইট বা তাদের মোবাইল অ্যাপ রয়েছে (AndroidiOS)। এই মোবাইল অ্যাপ দিয়ে টাওয়ারের লোকেশন, ইন্টারনেট স্পীড, কভারেজ ইনফরমেশন টেস্ট করতে পারবেন। তবে আমি যা দেখেছি তাতে বুঝতে পারলাম তাদের ওয়েবসাইটে ডাটা আপডেট করতে অনেক সময় লাগে। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের লাস্ট আপডেট দেখাচ্ছে তারা। 3rd পার্টি কোন ওয়েব সাইটের তথ্যের উপর ভিত্তি করে আমরা আসলে কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারি না। আমি বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই তাদের ওয়েবসাইট গুলোতে আরো ইনফরমেশন থাকলে আমরা কভারেজ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা নিতে পারি।

বর্তমান কেমন কি ইন্টারনেট স্পীড পাওয়া যাচ্ছে?

বাংলাদেশে মাস দেড় এক হয়ে গেছে 4G সার্ভিস শুরু হয়েছে ইতি মধ্যে আমরা কিছু টেস্ট এবং ইউজার ফিড ব্যাক দেখে কিছু আইডিয়া নিয়েছি। সব মোবাইল কোম্পানি গুলোর কম বেশি এভারেজে 4-5mbit/s স্পীড পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। আবার অনেক সময় 10-15mbit/s স্পীড পাওয়া যাচ্ছে। কভারেজ এবং ইউজার বাড়ার পর আমরা একটা ধারনায় আসতে পারি কেমন হতে আমাদের মোবাইল কোম্পানি গুলোর ৪জি ইন্টারনেট স্পীড। তবে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃখের বিষয় হল যে তারা এখন 4G নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারছেন না। তাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে মোবাইল অপারেটরের সাপোর্ট দেওয়া পর্যন্ত।

4G নিয়ে আপনাদের মতামত, কেমন কি স্পীড বা কভারেজ পাচ্ছেন তা কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন। আমাদের লেখা গুলো ভাল লাগলে শেয়ার করতে পারেন আপনাদের বন্ধুদের কাছে। প্রযুক্তির ব্যাপারে আরো জানতে থাকুন আমাদের সাথে। যে কোন প্রকার আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে। ভিডিও সিরিজ গুলো দেখতে পারবেন ফেইসবুক এবং ইউটিউবে। প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে চলে আসুন আমাদের কমিউনিটিতে। আবার দেখা হবে নতুন বিষয় নিয়ে, তত দিন ভাল থাকুন 

Reference

3G & 4G information reference
Link 01,  Link 02,  Link 03,  Link 04,  Link 05,  Link 06Link 07Link 08Link 09

Bangladesh Mobile Operator Coverage Checking
Grameenphone, Robi, Airtel, Banglalink, 
Airtel & Robi Sim Replacement Shop Search, Open signal (3rd Party Website)

First 4G Mobile Operator
Telia Company News Room, Video 01, Video 02

Wikipedia Information
Link 01,  Link 02,  Link 03,  Link 04,  Link 05,  Link 06

4G News Coverage
Link 01,  Link 02,  Link 03,  Link 04

4G Network Experiment news
Robi,  Grameenphone, Banglalink

প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য রয়েছে

আমাদের কমিউনিটি

প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই সব সময়। তাই আমাদের কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ প্রযুক্তির সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। আপনাদের যে কোন ধরনের সমস্যা, অজানা বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত সব সময়

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *